ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র): শিক্ষার্থীরা তোমাদের বাংলা পদ্য তাহারেই মনে পড়ে এর সর্বশেষ বোর্ড প্রশ্ন উত্তরসহ এখানে দিয়েছি। আশাকরি তোমরা এখান থেকে প্রস্তুতি ও পরীক্ষার ধারণা নিতে পারবে।

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

সৃজনশীল সাজেশন

১। বাংলার ইতিহাস এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস। ১৯৫২ সালে রক্ত দিয়েছি। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা গদিতে বসতে পারিনি। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান মার্শাল ল’ জারি করে ১০ বছর পর্যন্ত আমাদের গোলাম করে রেখেছে। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলনে ৭ জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৬৯ সালের আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন হওয়ার পরে যখন ইয়াহিয়া খান সাহেব সরকার নিলেন, তিনি বললেন দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন- গণতন্ত্র দেবেন, আমরা মেনে নিলাম। তারপর অনেক ইতিহাস হয়ে গেল, নির্বাচন হলো।

Read More:

ক. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় রৌদ্র কিসের প্রতীক?
খ ‘সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
গ. উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার মূলভাব এবং উদ্দীপকে প্রতিফলিত ১৯৫২ ও ১৯৬৯-এর প্রসঙ্গ এক ও অভিন্ন। মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

২। বাহান্নে একদিন জেগেছিল সব।
আবার আসেনি কি মহাজাগরণ
সুমহান একাত্তরে?
ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কার
মানুষের অগ্রযাত্রা বন্ধ করে শক্তি আছে কার।

ক) ফুল কোথায় ফুটে?
খ ‘কৈউ বা ভীষণ জেদি’— কার কথা বলা হয়েছে?— ব্যাখ্যা কর।
গ উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
ঘ “ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কার।” উদ্দীপকের এই উক্তিটিই ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার মূলভাব- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

৩। আমি কোন শহিদের স্মরণে লিখব?
বায়ান্ন, বাষটি, ঊনসত্তর, একাত্তর,
বাংলার লক্ষ লক্ষ আসাদ মতিউর আজ
বুকের শোণিতে উর্বর করেছে এই প্রগাঢ় শ্যামল

ক ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কোথায় থরে থরে ফুল ফুটেছে?ফুল কোথায় ফোটে?
খ ‘উনিশশো ঊনসত্তর’ দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?
গ উদ্দীপকটি ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ “উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলার সংগ্রামী ইতিহাসের বিষয়টি ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় বর্ণিত ঐতিহাসিকতার সাথে একসূত্রে গাঁথা।” আলোচনা কর।


৪। স্বাধীনতা তুমি
দেখিনু সেদিন রেলে,
ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি
স্বাধীনতা তুমি
রোদেলা দুপুরে মধ্যপুকুরে গ্রাম্য মেয়ের অবাধ সাঁতার
স্বাধীনতা তুমি
মজুর যুবার রোদে ঝলসিত দক্ষ বাহুর গ্রন্থিল পেশি ।

ক. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় একুশের কৃষ্ণচূড়া কী?
খ) “দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে ফোটে ফুল” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
গ ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার কোন ভাবটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার প্রত্যাশা উদ্দীপকে মূর্ত হয়ে উঠেছে।-মূল্যায়ন কর।

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

৫। কুলি বলে এক বাবু সাব তারে ঠেলে দিলে নীচে ফেলে
চোখ ফেটে এলো জল,
এমনি করে কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল?
যে দধীচিদের হাড় দিয়ে ঐ বাষ্প-শকট চলে,
বাবু সাব এসে চড়িল তাহাতে, কুলিরা পড়িল তলে।

ক. চতুর্দিকে কী তছনছ হচ্ছে?
খ ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।’- কেন? বুঝিয়ে দাও।
গ উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার সম্পর্ক নির্ণয় কর।
ঘ “উক্ত সম্পর্কই ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার শেষ কথা নয়।”- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।

৬) প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ বাংলার ভূমি। উর্বরতার কারণে বাংলার ভূমিতে উৎপাদিত হয়।বিভিন্ন জাতের ফসল। বয়ে আনে কৃষকের মুখে হাসি। চৈত্রের খরতাপে ফসলের মাঠ হয়ে ওঠে উত্তপ্ত। জ্বলে পুড়ে নিঃশেষ হয় ফসল আর কৃষকের হৃদয়। তবুও এ দেশের মাটি কৃষকের কাছে সোনার চেয়ে খাঁটি। মনে হয় কৃষকের হৃদয় এ দেশের উর্বর মাটির গড়া।

ক. রাত্রিদিন ভূ-লুণ্ঠিত হয় কোথায়?
খ) “দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে ফোটে ফুল” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
গ) উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটির কোন দিকটি প্রকাশিত হয়েছে?
ঘ ) ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটির আংশিক ভাবের ধারক হয়ে উঠেছে উদ্দীপকটি— যুক্তিটি মূল্যায়ন কর।

৭ ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অন্ত
বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় বরকতেরই রক্ত।
হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে,
সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে!
প্রভাতফেরির মিছিল যাবে ছড়াও ফুলের বন্যা,
বিষাদগীতি গাইছে পথে তিতুমীরের কন্যা।
দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে ফোটে ফুল- ব্যাখ্যা কর।

ক) ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কিসের বিকাশে শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্ম হয়ে উঠেছে?
খ) ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ঘাতকের ‘অশুভ আস্তানা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
গ) উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার কোন দিকের সমর্থন মেলে?— ব্যাখ্যা কর।
ঘ) “উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার সমগ্র দিক প্রতিফলিত হয়নি।”— মন্তব্যটির মূল্যায়ন কর।

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল সাজেশন ২০২৩ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

৮। পথিক বলিল, “আমি চিরন্তন মুক্তিকামী। এই যাদের খুলি পড়ে রয়েছে, তারা কেউ মরেনি।আমার মাঝেই তারা নতুন শক্তি, নতুন জীবন, নতুন আলোক নিয়ে এসেছে। এ মুক্তদল অমর। বিভীষিকা কাঁপিয়া উঠিল “আমায় চেন না? আমি শৃঙ্খল। তুমি যাই বল, তোমাকে হত্যা করাই আমার ব্রত। মুক্তিকে বন্ধন দেওয়াই আমার লক্ষ্য। তোমাকে মরতে হবে।” দুরন্ত পথিক বুক বাড়াইয়া বলিল, মারো, বাঁধো, কিন্তু আমাকে বাঁধতে পারবে না, আমার ত মৃত্যু নেই। আমি যে আবার আসবো।

ক. সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো অবিরত কী ঝরে?
খ বুঝি তাই উনিশ শো ঊনসত্তরেও বলতে কী বুঝিয়েছে?
গ উদ্দীপকের দুরন্ত পথিক ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার যে দিকটির পরিচয় বহন করে তা উপস্থাপন কর।
ঘ উদ্দীপকের আলোকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

৯। সম্প্রতি থাইল্যান্ডে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলনে যোগ দেন দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা সরকারি বাসভবনসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতে অবরোধ সৃষ্টি করে। আন্দোলনকারীদের ওপর সরকারি বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালায়। কিন্তু বিদ্রোহী আন্দোলনকারীরা পিছপা হয়নি। তাদের এ আন্দোলনের ফলে সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
ক) শহিদের রক্তের বুদ্বুদকে কবি কোন ফুলের সাথে তুলনা করেছেন?
খ) ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি বর্ণমালাকে অবিনাশী বলেছেন কেন?
গ) উদ্দীপকের আন্দোলনটি ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার কোন দিকটিকে স্পর্শ করেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ) উদ্দীপকের ন্যায় এ দেশেও আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে— ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ কর।

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

১০) ১৯৫২ সালের বাঙালির ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই আসে আসে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সবশেষে আসে পরম আকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। এ হচ্ছে এক ধারাবাহিকতা বা পরম্পরা। যে পরম্পরায় পূর্বসূরিদের আদর্শকে উত্তরসূরিরা ধারণ করে, বহন করে নিয়ে যায় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।

ক) শহিদের রক্তের বুদবুদ কিসের সঙ্গে তুলনীয়?
খ. ‘নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা’- বলতে কোন অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে?
গ. ‘বুঝি তাই ১৯৬৯-এও আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ’-পভুক্তিটির মধ্য দিয়ে উদ্দীপকে ফুটে ওঠা দিকটি চিহ্নিত কর।
ঘ) উদ্দীপকের মূলভাব এবং ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা। মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ কর।

১১) যাদের বুকের রক্তে মাতৃভাষা পেয়েছে সম্মান,
সঙ্গিনের মুখে যারা দাঁড়ায়েছে নিষ্কম্প, অম্লান,
মানে নাই কোনো বাধা, মৃত্যুভয় মানে নাই যারা
তাদের স্মরণচিহ্ন এ মিনার – কালের পাহারা!
এখানে দাঁড়াও এসে মনে করো তাদের সে-দান
যাদের বুকের রক্তে মাতৃভাষা পেয়েছে সম্মান।

ক) ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কোন ফুলের কথা উল্লেখ রয়েছে?
খ) “রাত্রিদিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়, কেউ মরা, আধমরা কেউ-চরণটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?”
গ) কোন দিক দিয়ে উদ্দীপকের সাথে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে?
ঘ) “উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার সম্পূর্ণ ভাবের প্রকাশ ঘটেনি।”- মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ কর

এইফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র) ছাড়াও আরো জানুন