সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র): শিক্ষার্থীরা তোমাদের বাংলা সহপাঠ সিরাজউদ্দৌলা নাটক এর সর্বশেষ বোর্ড প্রশ্ন উত্তরসহ এখানে দিয়েছি। আশাকরি তোমরা এখান থেকে প্রস্তুতি ও পরীক্ষার ধারণা নিতে পারবে।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

সাজেশন

১) তাহার এই প্রার্থনা শুনিয়া আমি বলিলাম, না, না, আপনি এক মুহূর্তের জন্যও প্রাণনাশের আশঙ্কা করিবেন না; আপনি এই মুহূর্ত হইতে স্বাধীন; এই বলিয়া পাথেয়স্বরূপ সহস্র স্বর্ণমুদ্রারএকটি থলি তাহার হস্তে দিয়া বলিলাম, আপনি অবিলম্বে প্রস্থান করুন এবং স্নেহাস্পদ পরিবারবর্গের সহিত মিলিত হইয়া সংসারযাত্রা সম্পন্ন করুন। আপনাকে ছাড়িয়া দিলাম,এজন্য আমার ওপর খলিফার মর্মান্তিক ক্রোধ ও দ্বেষ জন্মিবে, তাহাতে সন্দেহ নাই। কিন্তু যদি আপনার প্রাণ রক্ষা করিতে পারি, তাহা হইলে সেজন্য আমি অণুমাত্র দুঃখিত হইব না।

আরো পড়ুনঃ

ক. আলো দেখে বন্দি সিরাজ কী করেন?
খ মিরনের ভাষ্যে সিরাজকে কোন কোন অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল? ব্যাখ্যা কর।
গ উদ্দীপকের কথকের সঙ্গে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের বৈসাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র কোনটি?
ঘ উদ্দীপকের প্রত্যুপকারীর বিপরীত চরিত্র অঙ্কিত হয়েছে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে, যারা বাংলার ইতিহাসকে মসিলিপ্ত করেছে।” মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

২) আমরা যে আশা করে আছি, কখন সে মহা-সেনাপতি আসবে যার ইঙ্গিতে আমাদের মত শত কোটি সৈনিক বহ্নি-মুখ পতঙ্গের মত তার ছত্রতলে গিয়ে হাজির হাজির’ বলে হাজির হবে। হে আমার অজানা প্রলয়ঙ্কর মহা-সেনানী, তোমায় আমি দেখি নাই, কিন্তু তোমার আদেশ আমি শুনেছি, আমি শুনেছি। আমায় যুদ্ধ ঘোষণার যে তূর্য-বাদনের ভার দিয়েছে, সে ভার আমি মাথা পেতে নিয়েছি। এ যে তোমার হুকুম।

ক. উমিচাঁদ কোন সম্প্রদায়ের লোক ছিলেন?
খ. নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানিকে লবণের ইজারাদারি দিয়েছিলেন কেন? বুঝিয়ে লেখ।
গ) উদ্দীপকের বক্তব্য ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের যে বিশেষ দিকটিতে আলোকপাত কর।
ঘ) সিরাজের মাঝে থাকলেও নবাব সিরাজদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার”- মন্তব্যটির মহা-সেনাপতির গুণসমূহ ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের যথার্থতা যাচাই কর।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

৩) দেখতে পেলেম প্রাচ্য জাতিরা নবযুগের দিকে যাত্রা করেছে। অনেকদিন আশা করেছিলুম, বিশ্ব-ইতিহাসের সঙ্গে আমাদের সামঞ্জস্য হবে, আমাদেরও রাষ্ট্রজাতির রথ চলবে সামনের দিকে, এবং এও মনে ছিল যে, এই চলার পথে টান দেবে স্বয়ং ইংরেজও অনেকদিন তাকিয়ে থেকে অবশেষে দেখলুম ঢাকা বন্ধ। আজ ইংরেজ শাসনের প্রধান গর্ব ‘ল’ এবং ‘অর্ডর’, বিধি এবং ব্যবস্থা নিয়ে।

এই সুবৃহৎ দেশে শিক্ষার বিধান, স্বাস্থ্যের বিধান অতি অকিঞ্চিৎকর, দেশের লোকের দ্বারা নব নব পথে ধন-উৎপাদনের সুযোগ-সাধন কিছুই নেই। অদূর ভবিষ্যতেও তার যে সম্ভাবনা আছে, তাও দেখতে পাই নে, কেননা দেশের সম্বল সমস্তই তলিয়ে গেল ‘ল’ এবং ‘অর্ডরের’ প্রকাণ্ড কবলের মধ্যে য়ুরোপীয় নব-যুগের শ্রেষ্ঠ দানের থেকে ভারতবর্ষ বঞ্চিত হয়েছে য়ুরোপেরই সংস্রবে। নবযুগের সূর্য-মণ্ডলের মধ্যে কলঙ্কের মতো রয়ে গেল ভারতবর্ষ

ক. ইংরেজরা সিরাজউদ্দৌলার নিষেধ অমান্য করে কাকে আশ্রয় দিয়েছিল?
খ সিরাজউদ্দৌলা কেন ইংরেজদের বাণিজ্য করার অধিকার প্রত্যাহার করলেন? ব্যাখ্যা কর।
গ উদ্দীপকটিতে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ইংরেজদের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ “উদ্দীপকের লেখক “সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে বর্ণিত ইংরেজ শাসনের ন্যক্কারজনক বৈশিষ্ট্যটি তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

৫) ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামে বীর বাঙালি দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে প্রাণপণে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু তাদের বিজয়ে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় এ দেশীয় রাজাকার, আলবদর ও আলশামস্ বাহিনী। তারা এ দেশের কাদামাটিতে বেড়ে উঠে এ দেশের বিরুদ্ধেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমনকি তাদের অনেকেই দেশরক্ষার কঠিন শপথ নিয়েও শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে বাঙালি নিধন যজ্ঞে অংশ নেয়। একেই বলে, ঘরের শত্রু বিভীষণ।

ক. মোহাম্মদি বেগ কত টাকার বিনিময়ে সিরাজকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল?
খ “খোদার কাছে শুকরিয়া, এ পীড়ন তুমি দেখলে না।” উক্তিটি ব্যাখ্যা কর ।
গ উদ্দীপকের বক্তব্য ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের কোন দিককে নির্দেশ করে?
ঘ ) “একেই বলে, ঘরের শত্রু বিভীষণ”- মন্তব্যটি ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটক অবলম্বনে বিশ্লেষণ কর।

৫) মহিদ সম্পূর্ণ নিঃস্ব অবস্থায় গারো পাহাড়ের পাদদেশে থেকে হাজির হয় বকুলপুর গ্রামে।গ্রামের সহজ-সরল মোড়ল তাকে আশ্রয় দেয়। ইন্দ্রিয় ভোগবিলাসী, ভাং-এর নেশায় আসক্ত মহিদ মোড়ল অপেক্ষা দশ-পনেরো বছরের ছোট। চাতুর্য ও কৌশলের জোরে মহিদ মোড়লের স্নেহ লাভ করে। মোড়লের কোনো পুত্রসন্তান ছিল না। তাই মোড়ল তার সব জমিজমা দেখার দায়িত্ব দেন মহিদের উপর। এই সুযোগে সে মোড়লের সব জমি নিজের নামে করে নেয় এবং মোড়লকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

ক. নাটকে প্রথম অঙ্কের শেষ দৃশ্যের সময়কাল কত?
খ “ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা”- কথাটি উমিচাঁদ কেন বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।
গ উদ্দীপকের মহিদ চরিত্রের সঙ্গে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের কোন চরিত্রের সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ “মহিদ ও নাটকের সংগতিপূর্ণ চরিত্র উভয়ই বিশ্বাসঘাতক, বেইমান।”—উক্তিটি পর্যালোচনা কর।

৬) এর ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণার সময় তিনি কুমিল্লায় অবস্থান করে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সহযোগিতায় তৎপর ছিলেন। ২৯ মার্চ রাত দুটোয় পাকিস্তানি মিলিটারি তাঁর বাড়িতে হানা দিয়ে ঘুমন্ত ধীরেন্দ্রনাথকে ধরে ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যায়। জনশ্রুতি হলো, অমানুষিক নির্যাতন করে ১৪ এপ্রিল তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

ক) নবাবের নিষেধ সত্ত্বেও ইংরেজরা কোন দুর্গটি সংস্কার বন্ধ করেনি?
খ) ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজে আশ্রিতদের অবস্থা কেমন ছিল? বুঝিয়ে দাও।
গ ) ধীরেন্দ্রনাথের দেশপ্রেমের দিকটি ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের কোন চরিত্রের দেশপ্রেমের সমার্থক? ব্যাখ্যা কর।
ঘ) “ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত আর সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি যেন একসূত্রে গাঁথা।”মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

৭) আকরাম চৌধুরী কুমারগঞ্জ এলাকার নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল তারই মামাতো ভাই। কিন্তু আকরামের যোগ্যতা ও সুনামের কারণেই নেশাগ্রস্ত ও লম্পট মামাতো ভাই নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে। তার মামি এটা মেনে নিতে পারেননি।অর্থবিত্ত দিয়ে এখনো তিনি ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। এ সমস্যা উপলব্ধি করে আকরাম কঠোর হস্তে তা দমনে সচেষ্ট হন। তিনি উপলব্ধি করতে সক্ষম হন- স্বার্থের প্রয়োজনে আপনজনও হয়ে উঠতে পারে ঘোরতর শত্রু।

ক) শত্রুদের শক্তি বৃদ্ধির জন্য কে অর্থ ব্যয় করছে?
খ ‘সে দিন আসছে’ কথাটি কেন বলেছে? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের ঘটনাটির সাথে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত স্বার্থের বেড়াজাল ও আপনজনের শত্রুতা ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে আলোচনা কর।

৮ ) তৎকালীন বেশিরভাগ জমিদার ছিল অত্যাচারী, প্রজাপীড়ক। এদের মধ্যে ব্যতিক্রম ছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। তিনি ছিলেন প্রজাঅন্তঃপ্রাণ। তাঁর রাজ্যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জনগণ বসবাস করত। কৃষ্ণচন্দ্র কোমল হৃদয়ের রাজা হলেও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন।

ক) বচসারত পুরুষদের কাছে কে ছুটে গেলেন?
খ) উৎপীড়িত ব্যক্তি নবাবের কাছে ইংরেজদের বিরুদ্ধে নালিশ করেছিল কেন?বুঝিয়ে দাও।
গ) ঘ উদ্দীপকের কৃষ্ণচন্দ্র চরিত্রে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে কোন চরিত্রের প্রতিফলন দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ) “উদ্দীপকটি ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের সম্পূর্ণ ভাব ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।”মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

৯) সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন রাজার দৈহিক পবিত্রতায়ও বিশ্বাসী ছিলেন। এ উদ্দেশ্যে তিনি পারস্যের অনুকরণে রাজকীয় দরবার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। পারসিক কায়দায় সিজদা ও পাইবস ( সিংহাসন চুম্বন) রীতির প্রবর্তন, রাজসভায় নৃত্যগীত ও মদ্যপান নিষিদ্ধকরণ, রাজকর্মচারী ও আমিরদের জন্য আলাদা পোশাকের ব্যবস্থা, নীচ বংশের লোকদের সাথে অবাধ মেলামেশা ও হাসি-ঠাট্টা পরিহার করে তিনি রাজা ও রাজতন্ত্রের মান সমুন্নত রাখেন। বলবন ব্যক্তিগত পারিবারিক জীবনেও রাজকীয় চালচলন বজায় রেখে চলতেন এবং সর্বদা শাহি পোশাকে সজ্জিত থাকতেন।

ক) নাটকে মিরজাফরের দরবার দেখানো হয়েছে কত তারিখে?
খ জগৎশেঠের মতে দরবারে মিরজাফরের পৌছতে কেন বিলম্ব হয়? বর্ণনা কর।
গ উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের বৈসাদৃশ্য চিহ্নিত কর ।
ঘ “উদ্দীপকে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে প্রতিফলিত রাজকীয় দরবারের বিপরীত দৃশ্য লক্ষ করা যায়।” মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

১০) মুঘল সম্রাট বাবরের মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে হুমায়ুন মাত্র বারো বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। কিন্তু সিংহাসনে বসার পরই নানা দিক থেকে ষড়যন্ত্র হতে থাকে। এমতাবস্থায় যুবক হুমায়ুন দুর্দান্ত প্রতাপের সঙ্গে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। তার অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয়-স্বজনের অসহযোগিতার পরও হুমায়ুন দৃঢ় হাতে সবকিছু ধরে রাখেন।

ক. নবাবের নিষেধ সত্ত্বেও ইংরেজরা কোন দুর্গটির সংস্কার বন্ধ করেনি?
খ “আসামির সে অধিকার থাকি নাকি?” উক্তিটি কার এবং কেন বলেছে?প্রাসঙ্গিকতা বিচার কর।
গ) উদ্দীপকের হুমায়ুনের ক্ষমতারোহণের সাথে নবাব সিরাজউদ্দৌলার ক্ষমতারোহণের মিল কোথায়? ব্যাখ্যা কর।
“উদ্দীপকের হুমায়ুনের শেষ পরিণতি এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি ভিন্ন ধারায় প্রবহমান।” বিশ্লেষণ কর।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল সাজেশন ২০২৪ (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র)

১১) রামের আক্রমণে ব্যর্থ হয় রাবণ। পুত্র বীরবাহু ও ভাই কুম্ভকর্ণের মৃত্যুর পর লঙ্কাপুরী বাঁচাতে রাবণ তার যোগ্য পুত্র মেঘনাদকে দায়িত্ব দেয়। এ পর্যায়ে মেঘনাদ নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রবেশ করলে তারই কাকা বিভীষণ স্বার্থের মোহে সশস্ত্র লক্ষ্মণকে লঙ্কাপুরীতে প্রবেশে সুযোগ করে দেয় এবং বিভীষণের সহায়তায় লক্ষ্মণ কর্তৃক মেঘনাদ নিহত হয়।

ক. নবাব সিরাজউদ্দৌলার নবাবি নাম কী?
খ . “দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়”- মন্তব্যটি ব্যাখ্যা কর।
গ উদ্দীপকের মেঘনাদ ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের সিরাজের সাথে কীভাবে তুলনীয়? ব্যাখ্যা কর ।
ঘ উদ্দীপকের বিভীষণ ও ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের মিরজাফর যেন একই প্রেতাত্মার অভিন্ন রূপ- বিশ্লেষণ কর।

এই সিরাজউদ্দৌলা নাটকের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (এইচএসসি বাংলা ১মপত্র) ছাড়াও আরো পড়ুন